<p><strong>কলকাতা</strong>: ভবানীপুর নয়, একমাত্র নন্দীগ্রাম থেকেই ভোটে লড়বেন। ২৯১ আসনের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন নিজের কেন্দ্র ছেড়ে পালাচ্ছেন? পাল্টা কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর। ভোটে বাহিনী নিয়েও তরজায় জড়িয়েছে দু’পক্ষ। </p> <p>ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রাম। দুটি বিধানসভা কেন্দ্র নয়, একটি মাত্র কেন্দ্র থেকেই এবারের হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোটে লড়বেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই লড়াইয়ের শেষে কার মুখে হাসি থাকবে, আর কে রংয়ে মাতোয়ারা হবে, তা নিয়ে এখন জোর বাগযুদ্ধ।</p> <p>মমতা বলেছেন, ‘ভবানীপুর থেকে এখনও পর্যন্ত ৭ বার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি। সংসদীয় নির্বাচনে সেখান থেকে ৫ বার জিতেছি। ২ বার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছি। প্রয়োজন হলে পরে আবার দাঁড়াব। কিন্তু এ বারে ভবানীপুর সহকর্মী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে দিচ্ছি। ওঁর বাড়ি ওখানে। ওই পাড়ায় মানুষ হয়েছেন। তা ছাড়া আমি ভবানীপুরে দাঁড়ালাম কী না দাঁড়ালাম, সেটা বড় কথা নয়। ভবানীপুর আমার হাতের মুঠোয় থাকে। ক্লাব, পুজো কমিটি সবটাই করি। এটা স্মাইলি ভোট। ২ মের পর আপনাদের মুখেও স্মাইল থাকবে, আমার মুখেও স্মাইল থাকবে।’</p> <p>পাল্টা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘কেন মুখ্যমন্ত্রী নিজের কেন্দ্র ছেড়ে পালাচ্ছেন? কারণ, ওখানে লড়াই করতে ভয় পেয়েছেন মাননীয়া। এ বার ভবানীপুরে দাঁড়ালে উনি নিশ্চিত হেরে যেতেন। লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে। আর ২ তারিখে গননার দিন এখানে সবুজ আবির সরিয়ে গেরুয়া আবির ওড়াব। মেদিনীপুরের মাটি, দুর্জয় ঘাঁটি।’</p> <p>ভোটে পুলিশ কিংবা কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও দুপক্ষের মধ্যে এখন জোর তরজা। মমতা বলেছেন, ‘আমি চাই রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় পুলিশ হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করুক। তবে বাইরে এসে কারোর জন্য ভোট করাব কিংবা কারোর নির্দেশে কাজ করব এটা যেন না হয়।’</p> <p>পাল্টা বাবুল সুপ্রিয় বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ যে তারা ভোট লুঠ রুখতে ব্যবস্থা নিয়েছে। মমতা জানেন, এবার সব জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে।’</p> <p>নবান্নের রাশ আগামী ৫ বছর কার হাতে? এখন বাগযুদ্ধ। আট দফায় ভোটযুদ্ধ। ২ মে ফল ঘোষণা।</p>
from home https://ift.tt/30kwR8p
